অসহিষ্ণুতা আলী হোসেন আমাকে সে কব্জা করে ফেলছে আমার শিরায় উপশিরায় জমাট বেঁধেছে শীতলতর আকাঙ্খা হয়ে কিন্তু কেন? উত্তর খোঁজার আলো নেই, অন্ধকারকে দোষ দিচ্ছি তাই, কারণ, এটাই বড়ো সস্তা অথবা সহজও সস্তার কাছে পরাজিত আমার যুক্তিবোধ, তাই ভুলের প্রতিরোধে ভুলকে আকড়ে ধরছি হাতিয়ার ভেবে, অপরাধের প্রতিকারে অপরাধকে। অপরাধের সেই ক্ষমতা কি আছে, যা উত্তাল সমুদ্রকে শান্ত করে দেবে? ভয়ংকর ঝোড়ো বাতাসকে ডেকে নির্বোধ সমুদ্রের গর্জন-মত্ততাকে নপুংসক করা যায়? উত্তর খোঁজার আলো নেই,অন্ধকারকে দোষ দিচ্ছি তাই, কারণ, এটাই বড়ো সস্তা অথবা সহজও সে আমার চেতনাকেও কব্জা করে ফেলেছে আমার মনের কোণে কোণে বাসা বেঁধেছে শীতল আবেগ মৃত্যুর বিপরীত শব্দ তাই আমার কাছে মৃত্যুই! কারণ, আমার নপুংসক চেতনা জানিয়ে দেয়, আমি বাঁচলে সে বাঁচায়, আর মরলে সে-ই তার কারণ এক হাতে তালি বাজেনা জেনেও অন্য হাতের টুঁটিই চেপে ধরি, সে আমার দোষ নয়,তাঁর। হায় পরম পুরুষ তোমার রক্ষার দায় যদি তোমার সৃষ্টিকেই নিতে হয়! তবে সৃষ্টিকে বাঁচাবে কে? উত্তর খোঁজার আলো নেই,অন্ধকারকে দোষ দিচ্ছি তাই, কারণ, এটাই বড়ো সস্তা অথবা সহজও আর তোমা...
শিকারি নয়, পাখিরাই বুঝি সন্ত্রাসী হয় ! আলী হোসেনের রাজনৈতিক কবিতা : ডানা মেলতে চেয়েছি, খোলা আকাশকে ভালোবেসে তোমাকে বন্দী করিনি সেদিন, এই অধিকারের অছিলায় তবু, আজ আমি এক উন্মুক্ত কারাগারে বন্দীবাসী আর, সে কারাগারের রাজরক্ষী, আজ আমি নই, তুমি! তুমি শ্বাস নেবে ভেবে, আলগা করেছিলাম বুকের পাঁজর পরিযায়ী জেনে, তোমাকে জায়গা দিয়েছিলাম যে পানসিতে তাকিয়ে দ্যাখো, সে এখন বারুদ বাতাসে ডুবন্ত প্রায়। আর সেই ছোট্ট পানসির নিয়ন্ত্রক, আজ আমি নই, তুমি! আজীবন বাঁচবো ভেবেছি জলপাইয়ের ছায়াকাশে কাটাছেঁড়া নয়, কবিতার ভাঁজে তোমাকে পাবো বলে নিভৃতে সেই আমি, আজ কামানের শব্দে পাখা ঝাঁপটাই... ঘুমাইও। যদিও সে শব্দ-মালিক, বিশ্ব জানে আমি নই, তুমিই! চোখের জলকে আগলে রেখেছি, আট দশক হয়ে গেল বিরহের বেদনা ভাগ করে নিতে, গোপনে তোমারই অনুসঙ্গে। আজ সে শুকিয়ে গেছে, চাতকের কন্ঠের মতো। এ পিপাসার সৃষ্টিকর্তা কে! বিশ্ব জানে আমি নই, তুমিই! কী দোষ...