সেদিন সারা রাত ঘুমোতে পারিনি। আকাশের তারা খসার মত আমার আত্মা খসে খসে পড়ছিল রুক্ষ আর শুষ্ক রহমতের বুকে সারা দেশের ড্রইং রুম কেঁপে উঠেছিল বর্বরতার যন্ত্রনায় চোদ্দ থেকে চল্লিশ ইঞ্চির বোকা বাক্সে চোখ রেখে আমার মত সারাদেশ শোকে মাতন করেছে শ্বাস-কাটা মুরগির মত। আমিও দেখেছি সেই কালো সময়ের দুর্গন্ধ মাখা জীবন্ত লাশের অসহায় পিলখানার গোঙানি, অনুভব করেছি হৃদকম্প কিন্তু আজ স্নায়ুতে কম্পন নেই,বিবেকের পিতা শুড়িখানায় শুয়ে আছে নিশ্চিন্তে। দরং এর দরজায় কেঁপে কেঁপে উঠছে ছোট ছোট জোনাকির মত রহমতের মিনিরা চোখ বুঁজে আমার আত্মা নাচছে, তান্ডব করছে বরাকের বাঁকে রহমতের বুকে। তবু ড্রইং রুম শ্মশানের নিস্তব্ধতায় ঝিমোচ্ছে... কেন? ভেবে দেখলাম আমার বিবেক বন্ধক পড়ে গেছে কর্পোরেটের আঁধার কুলুঙ্গিতে,যেখানে আলোর প্রবেশ নিষেধ।
বাইশে শ্রাবণ আলী হোসেন ছড়া : বাইশে শ্রাবণ - আলী হোসেন বাইশে শ্রাবণ বাইশে শ্রাবণ তোমার সাথে আড়ি তোমার জন্য সূর্য গেলো, আমার বিবেক ছাড়ি সে বিবেক আজ ছন্নছাড়া হারিয়ে কমা দাঁড়ি বাইশে শ্রাবণ বাইশে শ্রাবণ দেখছো তুমি চেয়ে তোমার জন্য আমি এখন, নিঃস্ব হয়ে যেয়ে আপনকে আজ পর করেছি ভাইকে ভুলে যেয়ে এ ভাই ছিল আমার বুকে রাখির সুতোয় গাঁথা যে রাখি সব ছিড়ছে দেখি বিষিয়ে মনের খাতা ভয় পেয়ে তাই মিথ্যা গানে সুর ধরেছি যা-তা বাইশে শ্রাবণ বাইশে শ্রাবণ তুমি বড়ই সর্বনেশে মিলন মেলার সুরের ভেলার তাল-কেটে দে শেষে প্রেমের সাগর শুকিয়ে দিলে মরুর ছদ্মবেশে তোমার জন্য বাইশে শ্রাবণ হারিয়ে বটের ঝুরি বাংলা মায়ের দেহ ঘড়ি, হচ্ছে অকাল বুড়ি তাইতো বাঙাল ভাসছে যেন সুতো-কাটা ঘুড়ি বাইশে শ্রাবণ বাইশে শ্রাবণ বুঝছো কাকে খুঁজি? সেজন ছিলেন বাংলা এবং বিশ্ব-মনের-পুঁজি বুঝলে সেজন রবি ঠাকুর নাম শোনোনি বুঝি? ------------ রবীন্দ্রনাথ সংক্রান্ত অরও লেখা : 📖 পারের কড়ি 📖...