মাথার উপরটা কালো, অন্ধকার; সুর্য্য নেই কি কোন?
আছে আছে। নিশ্চই আছে।
আমি কেন অন্ধকারে আছি তবে?
আকাশটা যে ঢেকে গিয়েছে আগাছায়....
চার বছরের ছোট্ট সোনা তুই
বড্ড ছোট, ছোট্ট কুঁড়ি। ঘন সবুজের অন্ধকারে অচেনা পথ।
তোর পথ দেখানোর ভার যার যার,
তারা যে জান্তব নেশায় মত্ত, বুঝিনি মা!
বুঝিনি, পোষমানা ছাগীর বেশে আছে; ওরা আসলে ষন্ড!
জেগে থাক, সূর্য্য-তেজে আসবে দাবানল এখুনি
তোর ছোট্ট শরীর থেকে বের হল যে লাল লেলিহান শিখা
পুড়ে যাবে, মুড়ে যাবে তাতে আগাছার মতো তারা
তুই উঁকি দিবি আকাশের নীলে
মুক্ত পাখির ডানায় ভেসে.....। আমরা তোর পাশে...
শিকারি নয়, পাখিরাই বুঝি সন্ত্রাসী হয় ! আলী হোসেনের রাজনৈতিক কবিতা : ডানা মেলতে চেয়েছি, খোলা আকাশকে ভালোবেসে তোমাকে বন্দী করিনি সেদিন, এই অধিকারের অছিলায় তবু, আজ আমি এক উন্মুক্ত কারাগারে বন্দীবাসী আর, সে কারাগারের রাজরক্ষী, আজ আমি নই, তুমি! তুমি শ্বাস নেবে ভেবে, আলগা করেছিলাম বুকের পাঁজর পরিযায়ী জেনে, তোমাকে জায়গা দিয়েছিলাম যে পানসিতে তাকিয়ে দ্যাখো, সে এখন বারুদ বাতাসে ডুবন্ত প্রায়। আর সেই ছোট্ট পানসির নিয়ন্ত্রক, আজ আমি নই, তুমি! আজীবন বাঁচবো ভেবেছি জলপাইয়ের ছায়াকাশে কাটাছেঁড়া নয়, কবিতার ভাঁজে তোমাকে পাবো বলে নিভৃতে সেই আমি, আজ কামানের শব্দে পাখা ঝাঁপটাই... ঘুমাইও। যদিও সে শব্দ-মালিক, বিশ্ব জানে আমি নই, তুমিই! চোখের জলকে আগলে রেখেছি, আট দশক হয়ে গেল বিরহের বেদনা ভাগ করে নিতে, গোপনে তোমারই অনুসঙ্গে। আজ সে শুকিয়ে গেছে, চাতকের কন্ঠের মতো। এ পিপাসার সৃষ্টিকর্তা কে! বিশ্ব জানে আমি নই, তুমিই! কী দোষ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন